
গতকাল অফিস শেষে গিয়েছিলাম জাতীয় মৌ মেলা -২০১৮ -তে , রাজধানীর ফার্মগেটের অদূরে আ কা মু গিয়াস উদ্দীন মিলকী অডিটোরিয়ামে দুই দিনব্যাপী এ মেলার আয়োজন করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়। মেলার প্রতিপাদ্য ‘ ফসলের মাঠে মৌ পালন , অর্থ পুষ্টি বাড়বে ফলন । ’
মেলার আজ শেষ দিন , যারা এখনো যেতে পারেননি তারা এক ফাঁকে ঘুরে আসতে পারেন জাতীয় মৌ মেলা থেকে , আর সেখান থেকে নানা ধরণের মধু সংগ্রহ করতে পারেন , কেনার আগে টেস্ট করার ব্যবস্থা প্রায় সব দোকানেই রয়েছে , আমি নিজেও নতুন ২ টি বোতল খুলিয়ে টেস্ট করেছি । মোটামুটিভাবে সব দোকানের মধুই আমার কাছে পিওর মনে হয়েছে , আমরা যারা ঢাকাতে থাকি তারা খাঁটি মধু খুঁজি কিন্তু পাইনা , পেলেও সন্দেহ থেকেই যায় , তাই এই মেলার খবর শুনেই ছুটে গিয়েছি আর মধু সংগ্রহ করেছি , আজ আবার যেতে পারি , হয়তো দেখা হয়েও যেতে পারে অনেকের সাথে ।
মৌমাছি পালন প্রকল্প স্থাপনের জন্য আলাদাভাবে কোনো জায়গার প্রয়োজন হয় না। বাড়ির আনাচে-কানাচে, ঘরের বারান্দায়, ছাদে কিংবা বাগানেও মৌ-বাক্স রাখা যায়। অ্যাপিস সেরানা প্রজাতির ৫টি মৌ-কলোনি সম্বলিত মৌ-খামার স্থাপনের জন্য মোট বিনিয়োগ হবে ১৫-১৬ হাজার টাকা।প্রতিবছর গড়ে প্রতি বাক্স থেকে ১০ কেজি মধু পাওয়া যাবে, যার বাজারমূল্য ২৫০ টাকা হিসেবে ২৫০০ টাকা। এ হিসেবে ৫টি বাক্স থেকে উৎপাদিত মধুর মূল্য দাঁড়াবে ৫–১০ কেজি – ২৫০ টাকা (প্রতি কেজি)= ১২,৫০০ টাকা। এই আয় ১০-১৫ বছর অব্যাহত থাকবে অর্থাৎ প্রথমে মাত্র একবার ১৫-১৬ হাজার টাকা ব্যয় করে প্রকল্প স্থাপন করলে মৌ-বাক্স এবং অন্যান্য সরঞ্জামাদি ১০-১৫ বছর ব্যবহার করা যাবে। আর কোনো বিনিয়োগ বা খরচ নেই বললেই চলে।
এখানে কালো জিরার তেলও কোনো কোনো দোকানে বিক্রি করা হচ্ছে , যা দামেও সুলভ , লিফলেট এ কালোজিরার তেল এর উপকারিতা দেয়া আছে
রাজধানীর ফার্মগেটের আ. কা. মু. গিয়াস উদ্দীন মিল্কী অডিটরিয়াম চত্বরে ‘ ফসলের মাঠে মৌ পালন , অর্থ পুষ্টি বাড়বে ফলন ’ প্রতিপাদ্যে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া জাতীয় মৌ মেলার সময় বাড়ানো হয়েছে । আগামীকাল ২০ ফেব্রুয়ারি , মঙ্গলবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত চলবে জাতীয় মৌ মেলা । মেলা অংশগ্রহণকারীদের অনুরোধ ও ক্রেতা দর্শনার্থীদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে একদিন সময় বাড়িয়েছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ । যা ১৮ ও ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিলো ।
খাঁটি মধুর বৈশিষ্ট
লিচু ও সরিষা মধু
![]()
One comment
Pingback: মৌ পালন হতে পারে আয়ের পথ - methopoth